সময়, যাকে কেউ বুঝতে চায় না। আবার কেউ যদি বুঝে বলে নিজেকে মহা উৎকৃষ্ট মনে করে তাহলে সে নিজের চারিত্রিক অনুকরণ করছে না বরং লোক দেখানোর জন্য তা কারছে। মানে সহজ করে বলতে চাইলে সে মুখোশ প্রদর্শন করে মাত্র আসল নিজেকে প্রকাশ করে না। সময়ের সামনে এইসব চলে না।
সময় চলছে, থামে না। তবে সময়কে থামাতে পারে ঘড়ি যার সে। নিয়ন্ত্রণ থাকে একজনের হাতে। কোন ভাবে বহুজনেরই নিকট সময়ের নিয়ন্ত্রণ থাকলে কেউ বলত আমার দিন/রাত পছন্দ। তুমি তেমন চলবে। এটা সম্ভব না। কেন সম্ভব না এর উত্তর দার্শনিক এরিস্টটলের কাছে আছে। মানে First Cause বা Unmoved Mover কিংবা Prime Movier বিশ্লেষণ করলে উত্তর আসবে। অর্থাৎ নিয়ন্ত্রণে থাকতে হবে ১ জনকে। তাহলে সময় সময়ের মত স্বাধীনতা পাবে।
সময় আমার কথা সরাসরি গ্রহণ না করলেও পরে অনুধাবন করে আমার কথা মত চলে। অতপর কাঁটা হয়ে আমার কথা ঘুড়ে ঘুড়ে সংখ্যা রুপে কালকে জানান দেয়। কালের চক্রাকারে ঘুর্নায়মান পৃথিবীর কোন ভদ্রলোক ঘুড়ে এসে আমার কাছে পৌঁছে দেয় আমার মহৎকর্মের কথা। এই সময় আমাকে নতুন করে কোন কাজে উৎসাহ প্রদান করে। তাই আমি সময়ের সাথে চলি। সময়ের সাথে পেরে উঠি না। সে দৌড়ায়। আমিও দেীড়াতে শিখেছি। ঘড়ির কাঁটা ঘুরে যেমন তেমন করে সময় আমার চিন্তাভাবনা থাকে। একটা গোপন কথা- আমি সময়কে ছাড়ছি না, সময়ও আমাকে ছাড়ছে না!
মুহাম্মদ আল ইমরান
ঢাকা
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ।
Comments
Post a Comment