Skip to main content

Posts

সময়

সময়, যাকে কেউ বুঝতে চায় না। আবার কেউ যদি বুঝে বলে নিজেকে মহা উৎকৃষ্ট মনে করে তাহলে সে নিজের চারিত্রিক অনুকরণ করছে না বরং লোক দেখানোর জন্য তা কারছে। মানে সহজ করে বলতে চাইলে সে মুখোশ প্রদর্শন করে মাত্র আসল নিজেকে প্রকাশ করে না। সময়ের সামনে এইসব চলে না। ‎ ‎সময় চলছে, থামে না। তবে সময়কে থামাতে পারে ঘড়ি যার সে। নিয়ন্ত্রণ থাকে একজনের হাতে। কোন ভাবে বহুজনেরই নিকট সময়ের নিয়ন্ত্রণ থাকলে কেউ বলত আমার দিন/রাত পছন্দ। তুমি তেমন চলবে। এটা সম্ভব না। কেন সম্ভব না এর উত্তর দার্শনিক এরিস্টটলের কাছে আছে। মানে First Cause বা Unmoved Mover কিংবা Prime Movier বিশ্লেষণ করলে উত্তর আসবে। অর্থাৎ নিয়ন্ত্রণে থাকতে হবে ১ জনকে। তাহলে সময় সময়ের মত স্বাধীনতা পাবে। ‎ ‎সময় আমার কথা সরাসরি গ্রহণ না করলেও পরে অনুধাবন করে আমার কথা মত চলে। অতপর কাঁটা হয়ে আমার কথা ঘুড়ে ঘুড়ে সংখ্যা রুপে কালকে জানান দেয়। কালের চক্রাকারে ঘুর্নায়মান পৃথিবীর কোন ভদ্রলোক ঘুড়ে এসে আমার কাছে পৌঁছে দেয় আমার মহৎকর্মের কথা। এই সময় আমাকে নতুন করে কোন কাজে উৎসাহ প্রদান করে। তাই আমি সময়ের সাথে চলি। সময়ের সাথে পেরে উঠি না। সে দৌড়ায়। আমিও দেীড়াতে শিখেছি। ঘড়...

Session: Social Emotional Wellbeing Orientation and Peer to Peer Learning Session

  বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও UNESCO এর যৌথ উদ্যোগে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে আজ অনুষ্ঠিত হয় "Social Emotional Wellbeing Orientation and Peer to Peer Learning Session"। যাতে আমাদের বিভাগ থেকে শামস্ শাহরিয়ার কবি স্যারের নেতৃত্বে একটি টিম উক্ত আয়োজনে অংশগ্রহণ করি। এছাড়াও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য বিভাগের শিক্ষার্থী ও শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। ‎ ‎অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. রেজাউল করিম এবং শেকৃবি'র উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফ, কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, এবং ‎ ইউজিসি'র ইন্টারন্যাশনাল কোলাবরেশন বিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মোছা. জেসমিন পারভীন, শেকৃবির উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. বেলাল হোসেন, জবির কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. সাবিনা শারমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সৈয়দ তানভীর রহমান, ইউনেস্কোর প্রতিনিধি রাজু দাস সহ ইউজিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্...

মুক্ত নাটক: জনগণের নাটক

বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও সামাজিক আন্দোলনে নাট্যচর্চার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। ঐতিহাসিকভাবেই এই অঞ্চলে নাটক কেবল বিনোদনের মাধ্যম ছিল না, বরং ছিল সামাজিক অসঙ্গতি ও রাজনৈতিক প্রতিবাদের এক শক্তিশালী কণ্ঠস্বর।   ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা অর্জনের পর, মুক্ত পরিবেশে এই শিল্পমাধ্যম এক নতুন গতি লাভ করে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সদ্য স্বাধীন দেশের অস্থির রাজনৈতিক ও সামাজিক পটভূমিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে 'গ্রুপ থিয়েটার আন্দোলন', যা বাংলাদেশের নাট্যচর্চাকে পেশাদারিত্ব ও সমাজ-সচেতনতার এক নতুন দিগন্তে নিয়ে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় আশির দশকে যখন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে, তখন নাট্যচর্চা আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর তাগিদে জন্ম দেয় 'মুক্ত নাটক' আন্দোলনের। বাংলাদেশের নাট্যচর্চায় নব্য রূপে আধুনিক ও গতিশীল রূপটি বিকশিত হয়েছে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর। যদিও উনিশ শতক থেকেই এ অঞ্চলে নাটকের চর্চা শুরু হয়েছিল, তবে স্বাধীনতার পর এটি কেবল শখের বিনোদনের স্তর থেকে উঠে এসে সমাজ-বদলের হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। পরবর্তীকালে, আরণ্যক, থিয়েটার,...

হুমায়ূন আহমেদ প্রসঙ্গে - মুহাম্মদ আল ইমরান

হুমায়ূন আহমেদ আমার জীবনে বই পড়তে উৎসাহ দিয়েছেন। মনীষীরা বলেন, বই পড়ো, বইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করো। আমি বইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে পেরেছি। হাসি কান্না ভাগ করে নিতে পেরেছি। আর এটা সম্ভব হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের জন্য। মূলত আমার একাডেমিক বইয়ের বাহিরে বই পড়ার যাত্রা শুরু হয়েছিল তার লেখা 'আমার ছেলেবেলা' পড়ে। বইটিতে তিনি তার জীবন তুলে ধরেছেন। বইটি পড়ে তার জীবনে নিজেকে উপলব্ধি করতে পেরেছি। এখন যখনই নতুন বই হাতে নেই তখন আমি প্রথম বই পড়ার কথা স্মরণ করি। এমনকি মানুষকে আমি উহার দিলে ৩টি বই উপহার দেই। তার মধ্যে ‘আমার ছেলেবেলা’ একটি। অন্য দুইটি হলো- এরিস্টটলের পোয়েটিক্স, ক্যাথরিন পিউরীফিকেশন ম্যাডামের অনুবাদ করা বই, ক্যাথরিন পার ও অন্যান্য।   হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রখ্যাত যাদুশিল্পী, বাঁশি বাদক ও চিত্রশিল্পী জুয়েল আইচ তাকে উৎসর্গ করা বইটির উৎসর্গ অংশ তুলে ধরেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এভাবে হুমায়ূন আহমেদ লিখেছেন, "জুয়েল আইচ- জাদুবিদ্যার এভারেস্টে যিনি উঠেছেন। এভারেস্ট বিজয়ীরা শৃঙ্গবিজয়ের পরে নেমে আসেন। ইনি নামতে ভুলে গেছেন।" হুমায়ূন আহমেদের লেখায় একটা প্...

সেমিনার: ঋত্বিক ঘটকের জন্মশতবার্ষিকী

বাংলা একাডেমির 'কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে' প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সেমিনারের আয়োজন করে বাংলা একাডেমি। ‎‎সেমিনারে ‘ঋত্বিক ঘটকের তিতাস একটি নদীর নাম (১৯৭৩) চলচ্চিত্র : মালো জীবন-বাস্তবতার মহাকাব্যিক নির্মাণ’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফাহমিদা আক্তার ম্যাডাম। ‎ ‎সেমিনার সঞ্চালনা করেন বাংলা একাডেমির সহপরিচালক ড. মাহবুবা রহমান। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন 'তিতাস একটি নদীর নাম' চলচ্চিত্রের প্রযোজক হাবিবুর রহমান খান এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এর মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন রাজু। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। ‎ ‎মুহাম্মদ আল ইমরান। মঙ্গলবার, ১৯ কার্তিক ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৪ নভেম্বর ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ।

কবিতা: হেমন্তে দেখা।

কবিতা: হেমন্তে দেখা। লেখক: মুহাম্মদ আল ইমরান। জীবনের বিচিত্র অদ্ভুত সময়ের উপস্থাপনা অন্তরিন্দ্রিয়ের সন্তুষ্টি এনেছে। বলে কামিনী- "আমি প্রয়োজন বোধ করি না।" হে কামিনী, তুমি অনেক পরিপাটি থাকো। যেন প্রতিদিন আমার মন জয়ের নেশা তোমাকে তাড়া করে। তুমি আমার মন জয় করেছিলে সেদিন, যেদিন তুমি আমায় ডেকেছিলে একা নিরিবিলি। হেমন্তে- দেখেছিলাম শত বৃক্ষের মাঝে পুষ্প তুমি! ঐ বৃক্ষ আমাকে বলেছে, পুষ্পকথা। ঐ বৃক্ষ বলেছে, তুমি আমার কথা ভাবো। ঐ বৃক্ষ বলেছে, ঢোল হাতে একা অবচেতন মনে, তুমি বসো আমার মনের আসর জমাতে। হেমন্তের শিউলি, গন্ধরাজ, কামিনী এবং তুমি- এক বাগানের নবীন ফুল। দূরবর্তী সম্পর্ক কাছে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় আছি। "এই বাগানে অনাকাঙ্ক্ষিত তোমার তোমার প্রবেশ।" আমার কাছে পুষ্প তুমি। "কেমন পুষ্প?" সেই পুষ্প শ্যামা বর্ণের, কালো চুলের, কপালে ছোট টিপ পরা, গলায় মালা, আকাশ নীল শাড়িতে, সুন্দর চোখের আর আমার পছন্দের ব্যক্তিত্বের অধিকারিণী। "আমি পুষ্প?" হ্যাঁ। তুমি আমার পুষ্প, আমি তোমাকে ভালোবাসি। "অযথা কথা পছন্দ করি না।" হেমন্তের কোন একদিনে- বিকাল ৪ টা ১৭ মিনিটে,  সব...

ভালোবাসা - মুহাম্মদ আল ইমরান।

জানিনা জীবনানন্দ দাশ নাটোরের বনলতা সেনের নিকট কীরূপ শান্তি পেয়েছিল! তবে আমি এটা বলতে পারি জীবনানন্দ দাশের থেকেও বেশি শান্তি পাই আমি, তোমার থেকে। আমি এমন-ই দূরবর্তী সম্পর্ক কাছে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় আছি যে, সমাজে তোমার নাম বলতে পারি না। জীবনানন্দ দাশ পেরেছে। সে বলেছে নাটোরের বনলতা সেনের কথা। তোমার নাম ঠিকানা না বলে- আমিও তোমার কথা বলি। আমারও ইচ্ছে করে, ধানসিঁড়ি নদীর তীরে বেড়ে ওঠা, সভাকবি কুসুম কুমারী দাশের ছেলে, জীবনানন্দ দাশের মত বলতে নাটোরের বনলতা সেন। তোমার ঠিকানা নাটোর নয়, তোমার নাম বনলতা সেন নয়।  তোমারও আছে ঠিকানা, তোমারও আছে নাম। আমি তোমার নাম ধরে ডাকি, তোমাকে ঘিরে স্বপ্নে বিভোর থাকি। নাটোরের বনলতা সেন জীবনানন্দ দাশকে- জিজ্ঞেস করেছিলো, "এতদিন কোথায় ছিলেন?" তুমিও আমাকে জানতে চাও, তোমার অভিমানের বুদ্বুদ উৎপত্তি থেকে। তোমার থেকে আমি দূরে, বহু দূরে! পটুয়ার পটে আঁকার জন্য কিংবা পর্তুগিজদের আগমনের জন্য অথবা পট্টুয়ার খালের জন্য যে জেলার নাম পটুয়াখালী, সেখান থেকে- তোমার কাছে চিঠি লিখি। সঙ্গে পাঠিয়ে দেই তোমার চিঠি লেখার কাগজ। কিন্তু অভিমানী তুমি, আমার পাঠানো কাগজ অবহেলা ...