Skip to main content

Posts

A Seminar on Analytical Skill Development

   A Seminar on Analytical Skill Development 🧠💻 Today, I had the privilege of attending an insightful seminar featuring the renowned computer scientist and educator, Prof. Dr. Mohammad Kaykobad . In an era driven by data and logic, developing strong analytical skills is more crucial than ever. Sir’s perspective on problem-solving and critical thinking provided us with a roadmap to navigate the challenges of the tech industry. Huge thanks to the Department of CSE, Jagannath University , and IEEE JnU Student Branch for organizing such a valuable session!

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্'র 'জাহাজী': সারেঙ্গের জীবন।

‎ সমুদ্র কখনও শুধু জলরাশি নয়—এটি এক অন্তহীন শূন্যতা, যেখানে মানুষ নিজেকেই আবিষ্কার করে, আবার হারিয়েও ফেলে। “জাহাজী” ছোটগল্পটি ঠিক সেই শূন্যতার গল্প, যেখানে একজন মানুষের বাইরের যাত্রা ধীরে ধীরে ভেতরের যন্ত্রণার প্রতিচ্ছবিতে পরিণত হয়। সারেঙ্গের ক্ষমতা দূর্বলতার ও মানবতার মধ্যে দিয়ে স্রোত অতিবাহিত। ‎ ‎গল্পের করিম সারেঙ্গ চরিত্রটি আমাদের পরিচিত কোনো নায়ক নয়; বরং সে এক নিঃসঙ্গ মানুষ, যে নিজের অস্তিত্বকে বুঝতে চায়। সমুদ্রের বিশালতা তার কাছে মুক্তির নয়, বরং এক অদৃশ্য চাপ—যেখানে সে নিজেকে আরও ক্ষুদ্র, আরও বিচ্ছিন্ন মনে করে। এই অনুভূতিই গল্পটিকে এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক স্তরে নিয়ে যায়। ‎ ‎“জাহাজী” পড়তে পড়তে মনে হয়, মানুষ আসলে কোথায় বাস করে—সমাজে, নাকি নিজের ভেতরে? গল্পটি সেই প্রশ্ন তোলে, কিন্তু সহজ কোনো উত্তর দেয় না। বরং পাঠককে এক ধরনের অস্তিত্বের ভাবনার মধ্যে ফেলে রাখে। এটিই যেন গল্পটির শক্তি। ‎ ‎ভাষা অত্যন্ত সংযত, কিন্তু তার মধ্যেই রয়েছে তীব্রতা। কোথাও অতিরঞ্জন নেই, অথচ প্রতিটি বাক্য যেন একেকটি ঢেউ—নীরব কিন্তু গভীর। লেখক এখানে ঘটনাকে নয়, অনুভূতিকে কেন্দ্র করে গল্প গড়েছেন, যা আধুনিক সাহিত্যের একট...

জাকসু কর্তৃক আয়োজিত “গ্রাফিক্স ডিজাইন” কোর্সের শেষ ক্লাস সম্পন্ন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) কর্তৃক আয়োজিত “গ্রাফিক্স ডিজাইন” কোর্সের শেষ ক্লাস সম্পন্ন। নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে সৃজনশীল কাজের প্রতি আগ্রহ সবসময়ই ছিল, আর সেই আগ্রহ থেকেই এই কোর্সে যুক্ত হওয়া। মাঝখানে অসুস্থতার কারণে বেশ কয়েকটি ক্লাস মিস করেছি, যা নিয়ে কিছুটা খারাপ লাগা আছে। তবে আমাদের কোর্স শিক্ষক Fazle Rabbi Sarkar ভাইয়াকে অসংখ্য ধন্যবাদ। উনার শেখানোর ধরণ এক কথায় অসাধারণ। বন্ধের সময়টা দারুণভাবে কাজে লাগানো গিয়েছে। রাব্বি ভাইয়ের কথা না বললেই নয় তার বুঝানো অতি চমৎকার। ক্লাসের সময় মনে হয়নি অনলাইনে ক্লাস করছি। আজ শেষ হলো ক্লাস, মিস করব ক্লাসের সকলকে। যে স্কিনে দাগায় তার জন্য বিশেষ দোয়া মিস করব। ধন্যবাদ জাকসু-কে এমন চমৎকার একটি উদ্যোগ নেওয়ার জন্য। আশা করি, এখান থেকে শেখা দক্ষতাগুলো ভবিষ্যতে আমার সৃজনশীল কাজে অনেক বড় ভূমিকা রাখবে। মুহাম্মদ আল ইমরান নাট্যকলা বিভাগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।  

সময়

সময়, যাকে কেউ বুঝতে চায় না। আবার কেউ যদি বুঝে বলে নিজেকে মহা উৎকৃষ্ট মনে করে তাহলে সে নিজের চারিত্রিক অনুকরণ করছে না বরং লোক দেখানোর জন্য তা কারছে। মানে সহজ করে বলতে চাইলে সে মুখোশ প্রদর্শন করে মাত্র আসল নিজেকে প্রকাশ করে না। সময়ের সামনে এইসব চলে না। ‎ ‎সময় চলছে, থামে না। তবে সময়কে থামাতে পারে ঘড়ি যার সে। নিয়ন্ত্রণ থাকে একজনের হাতে। কোন ভাবে বহুজনেরই নিকট সময়ের নিয়ন্ত্রণ থাকলে কেউ বলত আমার দিন/রাত পছন্দ। তুমি তেমন চলবে। এটা সম্ভব না। কেন সম্ভব না এর উত্তর দার্শনিক এরিস্টটলের কাছে আছে। মানে First Cause বা Unmoved Mover কিংবা Prime Movier বিশ্লেষণ করলে উত্তর আসবে। অর্থাৎ নিয়ন্ত্রণে থাকতে হবে ১ জনকে। তাহলে সময় সময়ের মত স্বাধীনতা পাবে। ‎ ‎সময় আমার কথা সরাসরি গ্রহণ না করলেও পরে অনুধাবন করে আমার কথা মত চলে। অতপর কাঁটা হয়ে আমার কথা ঘুড়ে ঘুড়ে সংখ্যা রুপে কালকে জানান দেয়। কালের চক্রাকারে ঘুর্নায়মান পৃথিবীর কোন ভদ্রলোক ঘুড়ে এসে আমার কাছে পৌঁছে দেয় আমার মহৎকর্মের কথা। এই সময় আমাকে নতুন করে কোন কাজে উৎসাহ প্রদান করে। তাই আমি সময়ের সাথে চলি। সময়ের সাথে পেরে উঠি না। সে দৌড়ায়। আমিও দেীড়াতে শিখেছি। ঘড়...

Session: Social Emotional Wellbeing Orientation and Peer to Peer Learning Session

  বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও UNESCO এর যৌথ উদ্যোগে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে আজ অনুষ্ঠিত হয় "Social Emotional Wellbeing Orientation and Peer to Peer Learning Session"। যাতে আমাদের বিভাগ থেকে শামস্ শাহরিয়ার কবি স্যারের নেতৃত্বে একটি টিম উক্ত আয়োজনে অংশগ্রহণ করি। এছাড়াও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য বিভাগের শিক্ষার্থী ও শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। ‎ ‎অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. রেজাউল করিম এবং শেকৃবি'র উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফ, কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, এবং ‎ ইউজিসি'র ইন্টারন্যাশনাল কোলাবরেশন বিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মোছা. জেসমিন পারভীন, শেকৃবির উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. বেলাল হোসেন, জবির কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. সাবিনা শারমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সৈয়দ তানভীর রহমান, ইউনেস্কোর প্রতিনিধি রাজু দাস সহ ইউজিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্...

মুক্ত নাটক: জনগণের নাটক

বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও সামাজিক আন্দোলনে নাট্যচর্চার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। ঐতিহাসিকভাবেই এই অঞ্চলে নাটক কেবল বিনোদনের মাধ্যম ছিল না, বরং ছিল সামাজিক অসঙ্গতি ও রাজনৈতিক প্রতিবাদের এক শক্তিশালী কণ্ঠস্বর।   ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা অর্জনের পর, মুক্ত পরিবেশে এই শিল্পমাধ্যম এক নতুন গতি লাভ করে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সদ্য স্বাধীন দেশের অস্থির রাজনৈতিক ও সামাজিক পটভূমিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে 'গ্রুপ থিয়েটার আন্দোলন', যা বাংলাদেশের নাট্যচর্চাকে পেশাদারিত্ব ও সমাজ-সচেতনতার এক নতুন দিগন্তে নিয়ে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় আশির দশকে যখন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে, তখন নাট্যচর্চা আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর তাগিদে জন্ম দেয় 'মুক্ত নাটক' আন্দোলনের। বাংলাদেশের নাট্যচর্চায় নব্য রূপে আধুনিক ও গতিশীল রূপটি বিকশিত হয়েছে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর। যদিও উনিশ শতক থেকেই এ অঞ্চলে নাটকের চর্চা শুরু হয়েছিল, তবে স্বাধীনতার পর এটি কেবল শখের বিনোদনের স্তর থেকে উঠে এসে সমাজ-বদলের হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। পরবর্তীকালে, আরণ্যক, থিয়েটার,...

হুমায়ূন আহমেদ প্রসঙ্গে - মুহাম্মদ আল ইমরান

হুমায়ূন আহমেদ আমার জীবনে বই পড়তে উৎসাহ দিয়েছেন। মনীষীরা বলেন, বই পড়ো, বইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করো। আমি বইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে পেরেছি। হাসি কান্না ভাগ করে নিতে পেরেছি। আর এটা সম্ভব হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের জন্য। মূলত আমার একাডেমিক বইয়ের বাহিরে বই পড়ার যাত্রা শুরু হয়েছিল তার লেখা 'আমার ছেলেবেলা' পড়ে। বইটিতে তিনি তার জীবন তুলে ধরেছেন। বইটি পড়ে তার জীবনে নিজেকে উপলব্ধি করতে পেরেছি। এখন যখনই নতুন বই হাতে নেই তখন আমি প্রথম বই পড়ার কথা স্মরণ করি। এমনকি মানুষকে আমি উহার দিলে ৩টি বই উপহার দেই। তার মধ্যে ‘আমার ছেলেবেলা’ একটি। অন্য দুইটি হলো- এরিস্টটলের পোয়েটিক্স, ক্যাথরিন পিউরীফিকেশন ম্যাডামের অনুবাদ করা বই, ক্যাথরিন পার ও অন্যান্য।   হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রখ্যাত যাদুশিল্পী, বাঁশি বাদক ও চিত্রশিল্পী জুয়েল আইচ তাকে উৎসর্গ করা বইটির উৎসর্গ অংশ তুলে ধরেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এভাবে হুমায়ূন আহমেদ লিখেছেন, "জুয়েল আইচ- জাদুবিদ্যার এভারেস্টে যিনি উঠেছেন। এভারেস্ট বিজয়ীরা শৃঙ্গবিজয়ের পরে নেমে আসেন। ইনি নামতে ভুলে গেছেন।" হুমায়ূন আহমেদের লেখায় একটা প্...